Tuesday, March 19, 2019
Home > মুক্তিযুদ্ধ > প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধাদের দুঃখ-কষ্ট আপনি না বুঝলে কে বুঝবেন?

প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধাদের দুঃখ-কষ্ট আপনি না বুঝলে কে বুঝবেন?

চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুর্নবহালের দাবিতে শাহবাগে সমাবেশ করেছেন মুক্তিযোদ্ধা সন্তানরা। সমাবেশে সব জেলা ও থানার মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানরা এই সমাবেশে যোগ দেন।

দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের মুখপাত্র আ ক ম জামাল উদ্দিন। সেইসঙ্গে দাবি আদায়ে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের স্থলপথ, রেলপথ ও নৌপথ অবরোধ করার আহ্বান জানান তিনি।

 তিনি বলেন, একদফা এক দাবি আমাদের। চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুর্নবহাল রাখতে হবে। সেজন্য পরিপত্র স্থগিত করে মন্ত্রিসভায় তা প্রত্যাহার করতে হবে। তাই এখন থেকে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

শনিবার বেলা ৩টায় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কর্তৃক আয়োজিত এই সমাবেশ শুরু হয়ে রাত পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলছে। ফলে শাহবাগ মোড় দিয়ে সব ধরনের যানচলাচল বন্ধ রয়েছে।

qouta

সমাবেশে বক্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী আপনার বাবার ডাকে মুক্তিযোদ্ধারা জীবন বাজী রেখে এ দেশের জন্য যুদ্ধে নেমেছিল। তাদের জন্য আমরা একটা স্বাধীন দেশ পেয়েছি। মুক্তিযোদ্ধারা রাষ্ট্রের শ্রেষ্ঠ সন্তান। আর তাদের সন্তানরা চাকরিতে কোটা পাবে না, তাদের কোটা বাতিল হয়ে যাবে এটা মেনে নেয়া যায় না। তাই প্রধানমন্ত্রী আপনি যদি মুক্তিযোদ্ধাদের সুযোগ-সুবিধা, দুঃখ-কষ্ট না বুঝেন তাহলে আর কে বুঝবেন?

তারা বলেন, আমাদের দাবি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুর্নবহাল রাখতে হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাবো।

মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের আয়োজনে এই সমাবেশে আমরা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান, মুক্তিযোদ্ধা যুব কমান্ড , মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সমন্বয় পরিষদসহ অন্যান্য ব্যানারে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানরা অংশ নেন।

সমাবেশে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চর মুখপাত্র অধ্যাপক ড. আ ক ম জামাল উদ্দিনসহ আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি হুমায়ূন কবীর, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম নয়ন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সাবেক সভাপতি মেহেদী হাসান আমরা মুক্তিযোদ্বা সন্তানের প্রেসিডিয়াম মেম্বার হাজী এমদাদ, ভুট্টো,এডভোকেট কাজল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ শাহপরান সিদ্দিক( তারেক) ,বেলাল, মহানগর নেতা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান শাজাহান কবির, ইকবাল হোসেন, শিমুল রেজা, রফিকুল ইসলাম, নূর আহমেদ কামাল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

%d bloggers like this: