Wednesday, March 13, 2019
Home > লাইফস্টাইল > শীতের কনকনে লাইফস্টাইল

শীতের কনকনে লাইফস্টাইল

শীতে আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রভাব আমাদের ত্বকে পড়ে। যার কারণে শীতের শুরুতে বা প্রচণ্ড শীতে শুষ্ক ত্বক, মুখে চামড়া ওঠা, ত্বকে কালচে ভাব, ঠোঁট ফাটা, পায়ের গোড়ালী ফাটাসহ নানাবিধ সমস্যা দেখা দেয়। শীতে ত্বক তার স্বাভাবিক আর্দ্রতা হারিয়ে ফেলে। তাই এই সময় ত্বকে অয়েল বেজড ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে।
শীতে শরীরের অন্যান্য অংশ ঢাকা থাকলেও শীতের হাওয়ার সংস্পর্শে বেশি আসে আমাদের মুখ। তাই মুখ হাল্কা ক্লিনজার বা ফেসওয়াশ দিয়ে ধুয়ে ভারী ময়েশ্চারাইজারযুক্ত ক্রিম ব্যবহার করতে হবে। যাদের ত্বক তৈলাক্ত ও ব্রণের সমস্যা আছে তাদের মেডিকেটেড ক্লিনজার ও ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। সঙ্গে ব্যবহার করতে হবে ত্বকের উপযোগী ৩০ থেকে ৫০ এসপিএফ যুক্ত সানব্লক।
শীতের আরও একটি প্রধান সমস্যা ঠোঁট ফাটা। নরম টুথ ব্রাশ দিয়ে ঠোঁট ঘষে পরিষ্কার করে পেট্রোলিয়াম জেলি বা ভেসলিন ব্যবহার করতে হবে। সুস্থ ও সুন্দর ত্বকের চাকিকাঠি হলো পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা। শীতে ঠাণ্ডার ভয়ে অনেকেই গোসল এড়িয়ে চলেন বা অসহনীয় গরম পানি দিয়ে অনেকক্ষণ গোসল করেন। এ দুইটি অভ্যাসই ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। শীতের সময় কম বেশি সবারই পায়ের গোড়ালি ফাটে। তাই এ সময় পায়ে নিয়মিত গ্লিসারিন বা পেট্রোলিয়াম জেলি লাগাতে হবে।
ওয়েস্টার্ন পোশাক ফ্যাশনের আধুনিকতার জন্যই জায়গা করে নিয়েছে বিশ্বব্যাপী। বর্তমান ট্রেন্ডে দেশীয় ঐতিহ্যবাহী পোশাক থেকে শুরু করে ওয়েস্টার্ন পোশাকও আছে তরুণ-তরুণীদের পছন্দের তালিকায়। যারা ফ্যাশন-সচেতন, তাদের কাছে দেশীয় পোশাক যেমন পছন্দের একই সঙ্গে তারা পছন্দ করেন ওয়েস্টার্ন পোশাক। কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে এক্সিকিউটিভ লেভেলের নারী-পুরুষরাও আজকাল ওয়েস্টার্ন পোশাক পরছেন। কিন্তু অনেকেই জানেন না ওয়েস্টার্ন পোশাক পরলেই কেবল ফ্যাশন-সচেতন হওয়া যায় না। কেননা ওয়েস্টার্ন পোশাকের সঙ্গে ওয়েস্টার্ন লুকটাও খুব জরুরি।
ওয়েস্টার্ন ড্রেসের সঙ্গে সাজসজ্জা হতে হবে একদমই বুঝেশুনে। কিন্তু সাজের আগে ওয়েস্টার্ন ড্রেস সম্পর্কে জানা দরকার। ওয়েস্টার্ন ড্রেস দুই ধরনের হয়। ক্যাজুয়াল ও ফর্মাল। ক্যাজুয়াল ড্রেস আর ফর্মাল ড্রেসের সাজ অবশ্যই ভিন্ন ধরনের হবে। ফর্মাল প্যান্ট-শার্ট পরলে সাজগোজ হবে একদমই সীমিত। হালকা মেকআপের সঙ্গে হালকা অর্নামেন্টস। ক্যাজুয়াল প্যান্টের সঙ্গে ফতুয়া বা টপস পরলে কানে বড় দুল ও হাতে মোটা চুড়ি পরতে পারেন। ক্যাজুয়াল শার্টের সঙ্গে বড় মালা ভালো লাগবে। এ ধরনের ড্রেসে ছোট গয়না ভালো লাগবে না। সবচেয়ে মানানসই হলো মাটির গয়না। প্যান্টের সঙ্গে টি-শার্ট পরলে কানে ও গলার গয়না নির্ভর করে টি-শার্টের গলার ধরনের ওপর। হাইনেক টি-শার্টে গলা আড়ালে থাকে বলে গয়না পরা যায় না। লো নেক টি-শার্টে গলায় লকেট পরতে পারেন। কিন্তু টি-শার্টে অনেক কাজ করা থাকলে গলায় কিছু না পরাই ভালো। এর সঙ্গে টিপ পরতে পারেন কালার দিয়ে। তবে ড্রেসের রঙের সঙ্গে মানানসই টিপ পরা উচিত। ফর্মাল ড্রেস রাতে পরলে প্যান্ট-শার্টের ক্ষেত্রে চুল খোলা রাখাটাই বাঞ্ছনীয়। ওয়েস্টার্ন পোশাকে আপনার ফ্যাশন কেমন হবে তা নির্ভর করে ড্রেসকোডের ওপর। যেমন- অফিসিয়াল লুকে কোট-প্যান্ট থাকলে তার সঙ্গে মানিয়ে একই কালারের মাফলার পরতে পারেন। ছেলেদের ক্ষেত্রেও একইভাবে অফিসিয়াল লুকে পরতে পারেন এক্সেসরিজ। তবে টুপির ব্যাপারে একটু সতর্ক থাকতে হবে। মাফলারও পরতে পারেন ভিন্ন স্টাইলে। ছোট ধরনের কতগুলো মাফলার পাওয়া যায়, সেগুলো গলায় পেঁচিয়ে তার ওপর শার্ট পরতে পারেন। তরুণদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে দেশি ব্র্যান্ডগুলো তৈরি করছে উন্নতমানের মাফলার ও টুপি। অন্যদিকে মেয়েদের মাফলার সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে করা হয়েছে। উলের ব্যবহার দেখার মতো। উল দিয়েই করা হয়েছে বিভিন্ন ফুল। তেমনি ক্যাপে আনা হয়েছে ওয়েস্টার্ন লুক।
%d bloggers like this: