Friday, March 15, 2019
Home > মহানগর > পদ্না সেতু নির্মাণ, জননেএী শেখ হাসিনার অবদান : ক্যাপ্টেন তাজ

পদ্না সেতু নির্মাণ, জননেএী শেখ হাসিনার অবদান : ক্যাপ্টেন তাজ

পদ্না সেতু নির্মাণ, জননেএী শেখ হাসিনার অবদান।  রাজধানী ঢাকার খিলগাঁও এর পল্লীমা সংসদে ১৫ অক্টোবর ২০১৭ থেকে ২১ শে অক্টোবর ২০১৭। সাত দিন ব্যাপী বই মেলার উদ্বোধনী অনুষ্টানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই কথা বলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক সফল মন্ত্রী, সংসদীয় স্তায়ী কমিটির চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা জননেতা কেপ্টেন এ বি তাজুল ইসলাম এমপি।

সাবেক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এবি তাজুল ইসলাম বলেন, বিশ্বব্যাংক দুর্নীতির মিথ্যা অপবাদ দিয়ে পদ্মা সেতু থেকে সরে দাঁড়িয়েছিল। এটা ছিল ষড়যন্ত্রের অংশ। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছিল, আমরা দুর্নীতি করিনি। অবশেষে পদ্মা সেতুতে কোন দুর্নীতির প্রমাণ মেলেনি।

একই সঙ্গে নিজস্ব অর্থায়নের পদ্মা সেতু নির্মাণ কাজের দৃশ্যমান করে বাঙালিকে নতুন মর্যাদায় নিয়ে গেছেন। আজকে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদ্মা সেতুৃ নির্মাণে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের রাতদিন পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। পদ্মা সেতু নির্মাণ হলে দেশের জিডিপির পরিমান বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে।

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধাদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ক্যাপ্টেন (অব.) এবি তাজুল ইসলাম আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারই মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যলাণে কাজ করেছে। যখনই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে, তখনই মুক্তিযোদ্ধারা সম্মান পান। ভাতা বৃদ্ধি হয়। ঈদে বোনাস পান। অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধারা ঘরবাড়ি পায়। কাউকে ভিক্ষা করতে হয় না। আগামী নির্বাচনেও আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনতে হবে। এ জন্য সব মুক্তিযোদ্ধাদের আওয়ামী লীগের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

 

শহীদ মুক্তিযোদ্ধা বাকী সৃতি পাঠাগার ও শহীদ বাবুল একাডেমীর আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আতাউর আহমেদ রতন।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন আউয়াল কামরুজ্জামান ফরিদ। বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ মিসেস মীরা রায়, লুতফুর রহমান, কাউন্সিলর ওয়াহিদুল হাসান মিল্টন, হাফিজুর রহমান ময়না,মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ঢাকা মহানগরীর সাবেক ডেপুটি কমান্ডার মোঃশফিকুর রহমান শহীদ, একুশে পদক প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ফকির আলমগীর। উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় কমিটির মহাসচিব সফিকুল বাহার মজুমদার টিপু, ফরিদপুরের জেলা কমান্ডার মোঃ আবুল ফয়েজ। তাজ ভাই এসেছেন এই সংবাদ পেয়ে মুক্তিযোদ্ধা জয়নুল আবদিন, সিরাজুল ইসলাম বাংগালী, হাজী আবদুর রাজ্জাক সহ অনেক মুক্তিযোদ্বা সমবেত হয়ে প্রিয় নেতাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।আয়োজকদের তাজ ভাই ধন্যবাদ জানান।

%d bloggers like this: