Tuesday, January 8, 2019
Home > শিক্ষা > আগামী বছর সাড়ে ১৯ হাজার স্কুলভবন নির্মিত হবে

আগামী বছর সাড়ে ১৯ হাজার স্কুলভবন নির্মিত হবে

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, আগামী বছর সারাদেশে সাড়ে ১৯ হাজার স্কুলভবন নির্মিত হবে। এর মধ্যে উপজেলা পর্যায়ে চারতলা, জেলা পর্যায়ে আটতলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে ১০তলা ভবন নির্মিত হবে।

শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) ও জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষা-২০১৬-তে ডিআরইউ সদস্যদের কৃতী সন্তানদের সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, এসব স্কুলভবন উন্নত হবে, পানি থাকবে, টয়লেট থাকবে, প্রতিবন্ধীদের জন্য আলাদা সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা থাকবে। ভবনগুলোতে শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে বলে জানান তিনি।

শিক্ষকদের প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আমাদের কিছু শিক্ষক আছে যারা গোটা শিক্ষক সমাজের সুনাম নষ্ট করছে। তারা স্কুলে না পড়িয়ে বাসায় নিয়ে পড়াচ্ছে। আবার অনেক শিক্ষক টাকার বিনিময়ে শিক্ষার্থীকে প্রশ্নের উত্তর বলে দিচ্ছে। যেসব শিক্ষক এ ধরনের কাজ করছে তারা আর এ পেশায় থাকতে পারবেন না। যেসব শিক্ষক এসব কাজ করছেন তাদের তালিকা করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, অনেক বাবা আবার সন্তানের ভাল ফলাফলের জন্য প্রশ্ন এনে দেন। বাবা-মার এ প্রবণতা বন্ধ করার আহ্বান জানান তিনি।

নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, আমরা এ পর্যন্ত ৯৯ দশমিক ৪৭ শতাংশ শিশুকে স্কুলে আনতে পেরেছি। এ বছর বিনামূল্যে ৩৬ কোটি বই প্রদান করা হয়েছে। শিক্ষার মান বাড়লেও আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে শিক্ষার মান বৃদ্ধি করতে হবে।
অনুষ্ঠানে ২০১৬ সালের পিএসসি এবং জেএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ ৪৭ শিক্ষার্থীকে সম্মাননা হিসেবে  একটি ক্রেস্ট ও সনদ, দুই হাজার টাকা বৃত্তি এবং বই উপহার তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী। এ সময় শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

প্রযুক্তির উৎকর্ষের বিষয়টি তুলে ধরে ঢাকাটাইমস সম্পাদক বলেন, ‘প্রযুক্তির ভলোমন্দ দুটোই আছে। ছেলে মেয়েরা যেন প্রযুক্তির ইতিবাচক শিক্ষা পায়, অভিভাবকদের কাছে এটি আমার অনুরোধ।’

 শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আরিফুর রহমান দোলন বলেন, ‘আমাদের এই দেশ কীভাবে স্বাধীন হলো সেই ইতিহাস তোমাদের জানতে হবে। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে এই দেশ স্বাধীন হয়েছিল বলেই আজ আমরা এখানে এত সুন্দর একটি অনুষ্ঠান করার সুযোগ পেরেছি।’ সন্তানদের স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস জানানোর জন্য তিনি অভিভাবকদের অনুরোধ করেন।

ডিআরইউর সাধারণ সম্পাদক মুরসালিন নোমানী বলেন, এটি ডিআরইউর নিয়মিত প্রোগ্রাম। সদস্য সন্তানদের উৎসাহিত করতে ডিআরইউ প্রতি বছর এ আয়োজন করে। তারই অংশ হিসেবে এবারও পিএসপি ও জেএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃত্তি দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশার সভাপতিত্বে এ সময় ডিআরইউ সহ-সভাপতি আবু দারদা যোবায়ের, সাধারণ সম্পাদক মুরাসলিন নোমানী,  সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন, অর্থ সম্পাদক মানিক মুনতাসির, সাংগঠনিক সম্পাদক জিলানী মিলটন, নারীবিষয়ক সম্পাদক দিনার সুলতানা, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক কাফি কামাল, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা সম্পাদক শেখ মাহমুদ এ রিয়াত, ক্রীড়া সম্পাদক মো. মজিবুর রহমান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মিজান চৌধুরী, আপ্যায়ন সম্পাদক কামাল উদ্দিন সুমন, কল্যাণ সম্পাদক আজাদ হোসেন সুমন, কার্যনির্বাহী সদস্য নূরুল ইসলাম হাসিব, হাবীবুর রহমান সাইফুল ইসলাম, সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মাইনুল হাসান সোহেল ও আনিসুর রহমান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

 

%d bloggers like this: