Wednesday, December 12, 2018
Home > বিশেষ প্রতিবেদন > নেএীর প্রতি ভালবেসে আন্দোলন

নেএীর প্রতি ভালবেসে আন্দোলন

সৈয়দ রাজিব আহাম্মদ

দীর্ঘ প্রায় এগারো মাস কারাভোগ করে ২০০৮ সালের ১১ জুন জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক যড়ষন্ত্র ব্যর্থ করে আমাদের বহু আন্দোলনের ফলে মুক্ত হয়ে আমাদের মাযে ফিরে এসেছিলেন গনতন্ত্রের মানসকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। নেএী কারাগারে থাকা অবস্হায় অনেক আওয়ামীলীগ নেতারা গাঁ ঢাকা দিয়েছিল কেউ কেউ ঘোষনা দিয়ে রাজনিতি ছেরে দিয়েছিল।নাম বললে সবাই উনাদেরকে চিনবেন কারন উনারা এখন ভালভাবে রাজনিতি করছেন। আমরা কোম্পানিগন্জে কুমিল্লা-সিলেট রাজপথ অবরোধ করে নেএীর মুক্তি আন্দোলন করেছি। বহুদিন পুলিশের বাধার সম্মুখ হতে হয়েছে। নৌকা মার্কার সাবেক এম.পি ডাঃ ওয়ালী দাদার বাড়ীর বাউন্দারীর ভিতরে নেএীর মুক্তির জন্য অনশন করেছি(জেলার নেতৃ বিন্দের অনুরোধে অনশন ভঙ্গ করি)। কেন বললাম এ কথা গুলি তথন সেলফিময় যোগছিল না তাই কোন ছবি নেই পেপার কাটিং নেই। কিন্তু এতটুকু বলতে পারি যারাই ছিল সেইদিনগুলিতে সংখ্যায় খুবই কম ছিল। কোন ব্যাক্তি বা নেতাকে খুশি করতে নয় নেএীকে ভালবেসেই এ অল্প লোকগুলি আসতো ( যা এখনের রাজনীতির পুরো বিপরীত)। হয়তো অনেকের গায়ে লাগবে কথাগুলি, কাউকে ছোট করতে বলছিনা, কথা গুলো মনে পড়ে যাওয়াতে লেখলাম। না লেখলে হয়তো অনেকের অজানা থেকে যেত নেএী মুক্তি আন্দোলনের কিছু ইতিহাস। এলাকায় থাকতে পারতামনা তাই ইন্দিরা রোডে বড় চাচার বাসায় থাকা হত বিধায় নেএীর কারাগারের কাছে প্রতিদিন ঘুড়াঘুড়ি করতাম বন্ধুবান্ধব নিয়ে। ১০ জুন ২০০৮, কি বার ছিল মনে নেই সে দিনের চিএটা ছিল অন্য রকম। তাই খবর নেয়ার চেষ্ঠা করে জানতে পারলাম হয়তো নেএীকে আজই মুক্তি দেয়া হতে পারে। সংসদ ভবনের মনিপুরীপাড়ার দিকের গেইটে আমরা ৭/৮ জন পাবলিক ছারা তখনও কেউ আসা সুরু করে নাই। তবে মহিলা নেতৃ বিন্দদের ভির বারতে শুরু করে। পরে কুমিল্লা জেলা আওয়ামীলীগ নেতারা থেকে শুরু করে জাতীয় নেতৃবিন্দ অনেকে এসে ছিলেন। কেউ কাউকে না চিনলেও যে ধরনের কোশল বিনিময় হয়েছিল তা আর এখন হয়না। তবে আমরা ৩/৪ জন অনেক রাত পর্যন্ত অধির আগ্রহ নিয়ে সেখানে ছিলাম, পরে সেদিন আর মুক্তি হল না। পরের দিন আমাদের নেএী মুক্তি পেয়ে আমাদের মাযে ফিরে আসলো। হয়তোবা সেসময়ে জননেএী কে ছারাই নির্বাচন হতো , কিন্তু দেশ কি এত এগুতো? দেশের সাথে সাথে আজ দলও এত এগিয়েছে পিছনের নেতাকর্মীরা পিছনেই পরে রয়েছে!!! মনে রাখবেন চেতনার অগ্নিবীণা – জননেএী শেখ হাসিনা। দেখাহবে রাজপথে, কথা হবে মিটিংএ আর মিছিলে।

সৈয়দ রাজিব আহাম্মদ ,সাবেক সভাপতি, মুরাদনগর উপজেলা ছাএলীগ।

%d bloggers like this: