বিএসএমএম ইউ প্রথম উপাচার্য এর ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকীর স্মরণসভা

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এম এ কাদেরী এর ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত গুণী শিক্ষক, নীতি ও আদর্শবান মানুষ, দরদী চিকিৎসক হিসেবে অধ্যাপক ডা. এম এ কাদেরী চির স্মরণীয় হয়ে থাকবেন বলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ
 উপাচার্য  বলেছেন, গুণী শিক্ষক, সৎ, নিবেদিত প্রাণ, নীতি ও আদর্শবান মানুষ, দরদী চিকিৎসক হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এম এ কাদেরী মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ছিল অপরিসীম। তিনি ছিলেন অসম্ভব সাহসী। তিনি কোনোদিন ক্ষমতার অপব্যবহার করেননি। দেশপ্রেমিক অধ্যাপক ডা. এম এ কাদেরীর নীতি ও আদর্শ কর্মজীবনে ধারণ করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, চিকিৎসা ও গবেষণা কার্যক্রমে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। বাংলাদেশের রোগীরা যাতে দেশেই চিকিৎসেবা পায় এবং রোগীদেরকে যাতে দেশের বাইরে যেতে না হয় সেজন্য সংশ্লিষ্ট সকলকেই সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিতে হবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল-১ এর নির্মাণসহ অনান্য কার্যক্রম চলতি বছরের মধ্যেই সম্পন্ন করার জোর প্রচেষ্টা চলছে। এই হাসপাতালটি চালু হলে বিশ্বের সর্বাধুনিক চিকিৎসাসেবা প্রদানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে একটি নতুন যুগের শুভ সূচনা হবে। আজ ২৯ জুলাই ২০২১ইং তারিখে শহীদ ডা. মিল্টন হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এম এ কাদেরী এর ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় সভাপতির বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ একথা বলেন। স্মরণসভায় সূচনা বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত প্রক্টর অধ্যাপক ডা. মোঃ হাবিবুর রহমান দুলাল ও সঞ্চালনা করেন রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল হান্নান।

স্মরণসভায় অন্য বক্তারা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী অধ্যাপক ডা. এম এ কাদেরী শিক্ষক, চিকিৎসক, সংগঠক, প্রশাসক ও রাজনীতিবিদ হিসেবে ছিলেন সফল মানুষ ও ক্ষণজন্মা ব্যক্তিত্ব। কর্মজীবনে তাঁর নীতি ও আদর্শকে ধারণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানবজীবনকে সার্থক করা সম্ভব।
স্মরণসভায় বক্তব্য রাখেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক, এমপি, আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ রফিকুল আলম, উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মোঃ জাহিদ হোসেন, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. একেএম মোশাররফ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লা, সার্জারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. ছয়েফ উদ্দিন আহমেদ, ডেন্টাল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আলী আসগর মোড়ল, নার্সিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হোসেন, সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ডা. কাজী শহীদুল আলম, পরিচালক (পরিকল্পনা উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. আবু নাসার রিজভী, কার্ডিওলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মোঃ আরিফুল ইসলাম জোয়ারদার টিটো, অধ্যাপক ডা. এম এ কাদেরী এর ছেলে মাশুক আলী কাদেরী প্রমুখ। স্মরণসভায় জুমে ও সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ের সস্মানিত সিন্ডিকেট সদস্যবৃন্দ, একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্যবৃন্দ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও চিকিৎসকবৃন্দ অংশ নেন।
অধ্যাপক ডা. এম এ কাদেরী এর স্মরণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে বাদ জোহর এক দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এছাড়া বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।