আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কেন্দ্রীয় কমিটির ঈদ পুনর্মিলনী উদযাপন অনুষ্ঠিত

আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে ঈদ পরবর্তী ঈদ পুনর্মিলনীর অনুষ্ঠান ১০ বঙ্গঁবন্ধু এভিনিউ সংগঠন এর নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজন করা হয়েছে।
প্রথমেই সংগঠন এর পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে প্রত্যেক নেতাকর্মীদের অভ্যর্থনা জানানো হয়, তারপর মোনাজাত করা হয় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার পরিবারের জন্য, ত্রিশ লক্ষ শহীদ, জাতীয় চার নেতা দেশের বীর মুক্তিযোদ্ধারা যারা বেঁচে আছেন, সংগঠনের অভিভাবক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দির্ঘায়ু ও সাফল্য কামনা করা হয় এবং দেশের সকল মুক্তিকামী মানুষের কল্যাণে।
তারপর একে একে সাংগঠনিক প্রয়োজনে কথা বলেন। সংগঠন এর রজতজয়ন্তী উদযাপনের লক্ষে সবাইকে একসাথে হয়ে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আশারাফুল ইসলাম নয়ন, “সংগঠনকে এগিয়ে নেয়ার লক্ষে আগামী জাতীয় নির্বাচনেও বরাবরের মতো ভুমিকা রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন” সংগঠনের সভাপতি মোঃ হুমায়ুন কবির।কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম মেম্বার সালমান মাহমুদ জসিম বলেন “সাংগঠনিক এবং সারা বাংলাদেশে দ্রুততার সাথে বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের একসাথে করে একমতের ভিত্তিতে ঘুছিয়ে প্রতিটি জেলা উপজেলা পর্যায়ে সু সংগঠিত করার মাধ্যমে আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাস্তবায়নে শতভাগ সফলতা অর্জন করে রজতজয়ন্তী উদযাপন করা হবে”।সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম মেম্বার ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সভাপতি এড. এনামুল হক কাজল বলেন “আমরা সফলভাবে সবাই এই সংগঠনকে ধরে রেখেছি রাখব”।সিনিয়র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক শাখাওয়াত হোসেন বলেন “আমরা গনমধ্যম কর্মী মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে আগামী রজতজয়ন্তী উদযাপন এবং মহা সমাবেশ করর পরিকল্পনা নিতে হবে”।
নেতৃবৃন্দ নিজস্ব মতামত প্রকাশ করে বক্তব্য দেন যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর করিম বাবু , সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিঃ মোঃ শাহ পরান ছিদ্দিকী ( তারেক ) , সাংগঠনিক সম্পাদক রুবিনা ইয়াসমিন অন্তরা , প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক অনি সামদানী চৌধুরী, আনসারী, ঢাকা মহানগর দঃ এর সভাপতি সালাউদ্দিন, সিনিয়র সহ সভাপতি জাহাঙ্গীর মিলন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মমিন, ঢাকা উত্তরের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল ইসলাম মোল্লা, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মমিন,মাহাবুব,হাসান গাজী,তাজুল,ঢাকা জেলার সভাপতি রাসেলসহ নেতৃবন্দ।
পরবর্তীতে একটি নৈশভৌজের মধ্য দিয়ে “আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান”কেন্দ্রীয় কমিটির এই মিলনমেলা আয়োজন সমাপ্ত হয়॥